নরসিংদীতে ঘরে আগুন লেগে ঘুমন্ত শিশুর মৃত্যু,নরসিংদীর রায়পুরায় বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে লাগা আগুনে পুড়ে হামিম মিয়া (২) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময় চারটি ঘরসহ আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।মঙ্গলবার (৯ মে) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার চরাঞ্চলের শ্রীনগর ইউনিয়নের ভেলুয়ারচর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। মৃত শিশু হামিম ওই এলাকার শফিকুল ইসলামের ছেলে। ঘরে আগুন লাগার সময় শিশুটি ঘুমিয়ে ছিল।
নরসিংদীতে ঘরে আগুন লেগে ঘুমন্ত শিশুর মৃত্যু
শ্রীনগর পুলিশ -ফাঁড়ি ইনচার্জ উপপরিদর্শক বাপ্পি কবিরাজ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্র জানায়, দুপুরে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে সৌদি প্রবাসী শফিকুল ইসলামের ঘরে আগুন লাগে। আগুন ছড়িয়ে পড়ে তার তিন ভাইয়ের ঘরে। ওই সময় ঘরে একা ঘুমিয়ে ছিলেন শফিকুলের ছেলে হামিম। ঘটনার সময় শিশুটির মা তানিয়া বেগম বড় ছেলেকে নিয়ে বাড়ির
বাইরে ছিলেন। এদিকে আগুন লাগার খবর স্থানীয় একটি মসজিদের মাইকে ঘোষণা করা হয়। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে গিয়ে বিকেল সাড়ে ৪টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ততক্ষণে ঘরে থাকা আসবাবপত্রের সঙ্গে আগুনে পুড়ে মৃত্যু হয় শিশু হামিমের।
শিশু হামিমের মা তানিয়া বেগম বলেন, ‘হামিমকে একা ঘরে ঘুম পাড়িয়ে বড় ছেলেকে নিয়ে বাড়ির বাইরে যাই। এর কিছুক্ষণ
শিশু হামিমের মা তানিয়া বেগম বলেন, ‘হামিমকে একা ঘরে ঘুম পাড়িয়ে বড় ছেলেকে নিয়ে বাড়ির বাইরে যাই। এর কিছুক্ষণ
পরে খবর পাই ঘরে আগুন লাগছে। এসে দেখি আগুনে পুড়ে আমার হামিম মারা গেছে।’রায়পুরা ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের ফায়ার ফাইটার মো. সজল হোসেন বলেন, ‘৯৯৯ থেকে কল দিয়ে জানানো হয় ভেলুয়ারচর এলাকায় আগুন লাগে। ঘটনাস্থলে যাওয়ার প্রস্তুতি নেয়ার পর জানতে পারি স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসছে।’রায়পুরা থানার এসআই (উপ-
পরিদর্শক) বাপ্পি কবিরাজ বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত। আসবাবপত্রের নিচ থেকে শিশুর দগ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘরে আগুন লাগার সময় শিশুটি ঘুমিয়ে ছিল।’তিনি আরও বলেন, আগুনে ওই বাড়ির চারটি টিনের ঘর পুড়ে গেছে। স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে পারায় ফায়ার সার্ভিসের প্রয়োজন
হয়নি। শিশুটির পুরো শরীর আগুনে পুড়ে গেছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করি। পরিবারের আবেদনের অনুরোধে বিনা ময়নাতদন্তে মরদেহ দাফনের অনুমতি দেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
আরও পড়ুন:
