Site icon নরসিংদী জিলাইভ | truth alone triumphs

নরসিংদী জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা

নরসিংদী জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা

আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় নরসিংদী জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা।

 

বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্মৃতি জাদুঘর – নরসিংদী জেলা

 

নরসিংদী জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা:-

এই জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা খুবই ভাল। ঢাকা সিলেট মহাসড়ক বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কগুলোর একটি যা নরসিংদীর উপর দিয়ে গেছে। এটি ঢাকা থেকে মাত্র এক ঘণ্টার দূরত্বে অবস্থিত। অনেকগুলো নদী থাকায় জল পথে যাতায়াত করা যায়। ঢাকা চট্টগ্রাম ও ঢাকা সিলেট, দেশের দুই সবচেয়ে ব্যস্ততম রেল রুটও নরসিংদী দিয়ে গেছে।

মানুষ তাই সহজেই নরসিংদী আসতে পারেন। ন্যাশনাল এক্সপ্রেস (এসি বাস)  মনোহরদী পরিবহন, আন্না সুপার সার্ভিস এবং স্বপ্নবিলাস বাস সার্ভিস সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে আর PPL, চলনবিল পরিবহন, আরব পরিবহন, বাদশা পরিবহন মহাখালী থেকে ছাড়ে।

এছাড়া বিআরটিসির এসি বাস ছাড়ে তাদের মতিঝিল ডিপো থেকে আর ননএসি বাস ছাড়ে গুলিস্থান, আরামবাগ আর মহাখালী থেকে। অন্যদিকে রেলপথে কিশোরগঞ্জ গামী কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস এবং চট্টগ্রাম গামী কর্ণফুলী এক্সপ্রেস ও মহানগর ট্রেনে করে ঢাকার কমলাপুর স্টেশন থেকে নরসিংদী আসা যায়।

গুগোল নিউজে আমাদের ফলো করুন

পূর্বে এই অঞ্চলটি নরসিংহ নামক রাজার শাসনাধীন ছিল। ধারণা করা হয়, পঞ্চদশ শতাব্দীর প্রথম দিকে প্রাচীন ব্রহ্মপুত্র নদের পশ্চিম তীরে নরসিংহপুর নামে একটি ছোট নগর রাজা নরসিংহ স্থাপন করেছিলেন। ইতিহাসবিদরা নরসিংদী নামটি রাজা নরসিংহের নাম অনুসারে উৎপত্তি হয়েছে বলে মনে করেন।

এক সময়ে নরসিংদী অঞ্চলটি মহেশ্বরদী পরগনার অর্ন্তভূক্ত ছিল। এ পরগনার জমিদার ছিলেন দেওয়ান ঈশা খাঁ। তারপরে জমিদার ছিলেন তার উত্তরসূরি হয়বতনগর দেওয়ান সাহেব বাড়ির জমিদারগণ। জমিদারী প্রথা বিলুপ্তির প্রাক্বালে জমিদার ছিলেন দেওয়ান শরীফ খাঁ, আয়শা আক্তার খাতুন, ফরকুন্দা আক্তার খাতুন ও সৈয়দ আবদুল্লাহ।

জমিদারী প্রথা বিলুপ্তির পর একসময় নরসিংদী ছিল প্রশাসনিকভাবে ঢাকা জেলাধীন নারায়ণগঞ্জ মহকুমার একটি থানা। ১৯৭৭ সালে ঢাকা জেলার একটি মহকুমায় উন্নীত করা হয়। সরকার ১৯৮৪ সালে নরসিংদী সদর, পলাশ, শিবপুর, মনোহরদী, বেলাব এবং রায়পুরা-এই ৬ টি উপজেলা এবং নরসিংদী পৌরসভা নিয়ে নরসিংদীকে জেলা ঘোষণা করে।

 

সিধেন সাহার জমিদার বাড়ি – নরসিংদী জেলা

 

আরও পড়ূনঃ

Exit mobile version